গোপালগঞ্জে অনলাইনে পশু কেনা বেঁচা শুরু : ৩৫ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তত


গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ ঈদুল আযহার আর কয়েক সপ্তাহ বাকি থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে গরুর হাটে যেতে অনেকের অনীহা রয়েছে। জেলার প্রায় ৫ হাজার খামারী অনলাইন ও বাড়িতে বসে গরু কেনা বেচাকরার উদ্যোগ নিয়েছে। কোরবানীর ঈদ কে সামনে রেখে কোনো ক্ষতি কারক ঔষধ ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত গোপালগঞ্জের কয়েক হাজার খামারিরা। গোপালগঞ্জে ছোট বড় মিলিয়ে গরু মোটাতাজা করনের খামার রয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার। এসব খামারে গরু সংখ্যা ৩৫ হাজার। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে চলে যাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে। গোপালগঞ্জে চাহিদা রয়েছে ৩০ হাজার। এ সকল পশু কেনা বেঁচার জন্য কোরবানীর পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিজিটাল হাট’ চালু করেছে প্রানি সম্পদ অধিদপ্তর।

জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা জানান, গোপালগঞ্জে এবার করোনার কারনে গবাদি পশু অনলাইনেও কেনা বেচা করা যাবে। (www.gopalganjhat.com) ওয়েবপেজে গিয়ে গরুর তথ্য পাবেন এবং সেখান থেকে গরু কেনা বেঁচা করতে পারবেন। এছাড়ও খামারিদের বাড়ি বাড়ি পশু কেনা বেঁচা হবে। পশু খামারীরা জানান, কোন ক্ষতি কারক ঔষধ ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে নিজস্ব পদ্ধতিতে দেশী জাতের গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। খড়, ভূষি, কুড়া, কাচা ঘাস ও কচুড়িসহ দেশিয় খাদ্য খাইয়ে এসব গরু পরিপুষ্ট করা হচ্ছে। করোনার কারনে অনলাইনে ও বাড়িতে বসেই গরু বিক্রি করা হবে। খামার গুলোতে সাস্থ্যকর উপায়ে পালিত এসব গরু জেলার চাহিদা মিটাবে এমনটাই আশা খামারীদের। এবার গোপালগঞ্জে কোরবানির পশুর হাট হাউজিং প্রকল্প মাঠে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নোটিশ

অনুমতি ব্যাতিত এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা নিষেধ, কপি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।