গোপালগঞ্জবাসীর প্রতি জেলা প্রশাসকের খোলা চিঠি

প্রিয় গোপালগঞ্জবাসী
আপনারা হয়তো অবগত আছেন যে, গোপালগঞ্জ জেলার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজের লক্ষ্য নিয়ে গোপালগঞ্জবাসীর সহযোগিাতয় ১৯৮২ সালে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক ‘গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে ফাউন্ডেশনটি পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ‘গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন’ শিক্ষা সংস্কৃতি বিস্তারে ভূমিকা রাখছে। বিশেষত অসচ্ছল মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম এ ফাউন্ডেশনের একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ এপ্রিল ২০১৭ খ্রি. তারিখে সমগ্র গোপালগঞ্জ জেলার শ্রমজীবী, মৎস্যজীবী, কৃষি শ্রমিক ইত্যাদি অনগ্রসর পরিবারের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান (অর্থ, শিক্ষা উপকরণ ও স্বাস্থ্য সামগ্রী) প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষা দীক্ষায় সমৃদ্ধ আলোকিত গোপালগঞ্জ গড়ার মহান লক্ষ্যের বাস্তবায়ন একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। ‘গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন’ তার তহবিল স্বল্পতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশিত মাত্রায় কাজ করতে পারছে না। গোপালগঞ্জ জেলার প্রতিষ্ঠিত কৃতী সন্তান হিসেবে গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশনে আপনাদের সম্পৃক্ততা, আর্থিক অনুদান, পরামর্শ ও সহযোগিতা ফাউন্ডেশনকে তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। ‘গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন’ তার নিজস্ব ব্যাংক হিসেবে (চলতি হিসাব নংঃ ৬১০৭৭৩৪০০০৫৭৬, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, ডিসি কমপ্লেক্স শাখা, গোপালগঞ্জ) আপনাদের আর্থিক অনুদান কৃতজ্ঞতার সাথে গ্রহণ করবে।
আর্থিক অনুদানের পাশাপাশি তথ্য দিয়েও সহযোগিতা করতে পারেন। এমন কোন মেধাবী ছাত্র ছাত্রী যদি আপনাদের নজরে পড়ে যে শুধুমাত্র অর্থের অভাবে লেখা পাড়া চালাতে পারছে না, তার প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারছে না তাহলে অনুগ্রহ করে নি¤œস্বাক্ষরকারীকে জানাবেন। গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন সীমিত সামর্থ্য নিয়ে হলেও উক্ত অসচ্ছল মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের পাশে দাঁড়াবে।
আপনাদের মতো কৃতী সন্তানদের আর্থিক সহযোগিতায় যারা লেখাপড়া করে প্রতিষ্ঠিত হবে তারাও ভবিষ্যতে অন্য অসচ্ছল ছাত্র ছাত্রীদেরকে সহযোগিতা করবে মর্মে লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি প্রদান করে থাকে। ফলে পরবর্তী প্রজন্মকে সহযোগিতার এ ইতিবাচক ধারা প্রজন্মান্তরেও অব্যাহত থাকবে মর্মে আমরা বিশ্বাস করি।
শিক্ষা দীক্ষায় আলোকিত গোপালগঞ্জ বিনির্মাণে আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

(মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার)
জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ।

নোটিশ

অনুমতি ব্যাতিত এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা নিষেধ, কপি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

2 Comments

  1. জেলা প্রশাসকের কাছে আমাদের কাড়ারগাতী জনগনের একটা আর্জি বর্তমান রেলস্টেশন কাজ চলছে কিন্তু জমির মালিকদের ন্যাজ্য পাওনা এখনো দিচ্ছেন না।
    উর্ধতন কর্মকর্তারা বেআইনি ভাবে টাকা আটকিয়ে রাখছে তারা কগজ সম্পর্কে সঠিক কিছু কোনো কাজই করছেন না গত ৩ বছর ধরে BRS পর্চার কথা বলে অাসছেন আর এখন যখন ওই পর্চার গেজেট সংশোধনী সব পেয়েছে তখন অন্য সমস্যা দেখাচ্ছে ।
    অার টাকা কম দিতে চাচ্ছে আবার বিভিন্ন সমস্যা প্রদর্শন করছে ।
    অামার একটা প্রশ্ন সরকারী নিয়ম সম্পূর্ন মেনে যদি কোনো জমির মালিক তার সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে
    তাহলে সরকার কেন সেই জমির মালিকের কাছ থেকে জমি নিয়ে টাকা দিতে পারবেনা?
    এটা কি ধরনের ব্যবহার জনগনের সাথে।
    অন্য দিকে যে জমির মালিকনা তারা টাকা ঘুষ দিয়ে টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
    তাই জেলাপ্রশাসকের কাছে আমাদের এই সমস্যা গুলো আপনারা গনমাধ্যম গুলো তুলে ধরেন ..।
    এটা আমাদের অনুরোধ গোপালগঞ্জ বাসির।
    বিনীত
    কাড়ারগাতি গ্রামবাসী

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*